মোহনপুর সরকারী কলেজ ছাত্রাবাসের সম্মান ৪র্থ বর্ষের ছাত্রদের বিদায়

মোহনপুর সরকারী কলেজ ছাত্রাবাসে সম্মান ৪র্থ বর্ষের বিদায়ী  ছাত্রদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।
রাজশাহীর মোহনপুরে অবস্থিত একটি স্বনামধান্য কলেজ, যার শিক্ষা বিস্তৃতি অনেক। প্রতি বছর সাফল্যের সহিত অনেক ছাত্র পাশ করে, যার কারণে অত্র এলাকায় এটি একটি স্বনামধান্য কলেজ । কলেজ ছাত্রাবাসে আজ ১৮/০৭/১৯ খ্রি. রোজ বৃহস্পতিবার বিদায়ী ছাত্রদের বিদায় অনুষ্ঠান উপলক্ষে উক্ত কলেজ ছাত্রাবাসের ছাত্রবৃন্দ একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেন,  সম্মান চতুর্থ বর্ষের বিদায়ী ছাত্রগণ মোঃ বাবুল হোসাইন (ভুগোল ও পরিবেশ বিদ্যা) মোঃ আলামিন ইসলাম (ভুগোল ও পরিবেশ বিদ্যা),  মোঃ আব্দুল্লাহ ( বাংলা)  মোঃ বেলাল উদ্দীন ( ভুগোল ও পরিবেশ বিদ্যা) মোঃ মোস্তাক আহমেদ( ভুগোল ও পরিবেশ বিদ্যা।  ৫ জন ছাত্র বিদায় নেন মোহনপুর সরকারী কলেজ থেকে।  বিকাল ৪ টায় আলোচনা সভায় বিদায়ী ছাত্ররা বিদায়ী ভাষন ও ছোট ভাইদের প্রতি সোনালী ভবিষ্যৎ সাফল্য মন্ডিত করার  উপদেশ প্রদান করেন।  উক্ত অনুষ্টান পরিচালনা কমিটিতে ছিলেন  মোঃ সাফিউল ইসলাম, মোঃ জুয়েল রানা, মোঃ আখতার হোসাইন, মোঃ মুরাদ হোসাইন, মোঃ অলমগীর হোসাইন।  উক্ত অনুষ্ঠান সার্বিক পরিচালনা করেন, ছাত্রাবস ডাইনিং ম্যানেজার  মোঃ সাফিউল ইসলাম (মনোবিজ্ঞান ৪র্থ বর্ষ)।


Share:

ট্রেনের ধাক্কায় নববিবাহিত দম্পতি সহ ৯ জন নিহত!

উল্লাপাড়ায় ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের বর কনে সহ ৯ জন নিহত।

www.alokitobagmara.blogspot.com


সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের আট যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।


সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ঢাকা-ঈশ্বরদী রেল সড়কের উল্লাপাড়া উপজেলার পঞ্চক্রোশী এলাকার অরক্ষিত রেল ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

উল্লাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোশারফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।


এ দুর্ঘটনায় রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

Share:

লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি!!

লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। রবিবার সকালেও তিস্তার পানি দোয়ানি পয়েন্টে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার ও ধরলার পানি কুলাঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে পানিবন্দি মানুষগুলোর মাঝে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ত্রাণ সংকট। অনাহারে-অর্ধাহারে রয়েছে পানিবন্দী জেলার অর্ধ-লক্ষাধিক মানুষ।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে,  বানভাসি মানুষের জন্য বরাদ্দ রয়েছে মাত্র দেড়শ’ টন চাল, যা প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগণ্য।
Share:

সবাইকে কাঁদিয়ে বিদায় নিলেন এরশাদ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বর্তমান বিরোধী দলীয় প্রধান হুসেইন
মুহাম্মদ এরশাদ আজ রবিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা, এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

তিনি তাঁর জীবদ্দশায় দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ করেন কিন্ত আশির দশকে ব্যর্থ সেনা অভ্যূত্থানে জোরপূর্বক ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে স্বৈরশাষক হিসেবে ব্যাপক আলোচিত হয়েছিলেন।

Share:

২০ বছর ধরে সিংগেল, ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন বাগমারার হাবিবুল্লাহ

রাজশাহীর বাগমারার সুর্য সন্তান মোঃ হাবিবুল্লাহ মেজবাহ জন্মের পর থেকে প্রেম করেন নি বলে নিজেকে সিংগেল দাবি করেন। তাঁর এ দাবির প্রেক্ষিতে যাদুঘর কতৃপক্ষ তার ছবি রাজশাহী বরেন্দ্র গবেষনা যাদুঘরে রাখার আয়োজন করে। ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ সালে তাকে  সিংগেল ক্লাব বাংলাদেশ এর সভাপতি নির্বাচতি করা হয়।

Share:

বাগমারায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতি : ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি

রাজশাহীর বাগমারায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। পানির প্রবল চাপে ৫টি স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। এতে ছয়টি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। কোমর পর্যন্ত পানি উঠেছে ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। ডুবে গেছে বিভিন্ন সড়ক। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ছয় ইউনিয়নের ৪০ হাজার মানুষ। দ্রুত গতিতে বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আরো কয়েকটি স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ হুমকির মুখে রয়েছে। যে কোনো মূহুর্তে সেগুলো ভেঙ্গে গিয়ে নতুনভাবে আরো বিভিন্ন এলাকা বন্যা কবলিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এতে বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী লোকজনের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।



সরজমিনে বন্যা কবলিত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পানির প্রবল চাপে বৃহস্পতিবার সকালে বীরকয়া এলাকার বটতলা ঘাটে, উত্তর বীরকয়া, সোনাবিলা, জোলাপাড়া হাট সংলগ্ন এবং গোবিন্দপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন বাঁধসহ ৫টি স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। এতে গোবিন্দপাড়া, সোনাডাঙ্গা, নরদাশ, শুভডাঙ্গা, বাসুপাড়া ও দ্বীপপুর ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। গ্রামের চারদিকে বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় এবং বাড়িঘরের মধ্যে পানি প্রবেশ করায় ওই সব গ্রামের লোকজন বাড়ি থেকে বের হতে পারছেনা। এ অবস্থায় প্রায় ৪০ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের দামনাশ মহাবিদ্যালয়, দামনাশ-পারদামনাশ উচ্চ বিদ্যালয়, দামনাশ দাখিল মাদ্রাসা, দামনাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রমজানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রমাজনপাড়া কারিগরি হাইস্কুল স্কুল এ্যান্ড কলেজ, সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নের নাসিরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, শেরকোল-শিমলা উচ্চ বিদ্যালয়, শেরকোল-শিমলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর জামালপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও সোনাডাঙ্গা-ভরট্র আলিম মাদ্রাসা এবং নরদাশ ইউনিয়নের হুলিখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুমারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কুমারপুর দাখিল মাদ্রাসা এবং দ্বীপপুর ইউনিয়নের মীরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মীরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণী কক্ষের মেঝেতে হাটু পর্যন্ত পানি জমেছে। এ অবস্থায় ওইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাধারন ছুটি ঘোষনা করা হয়েছে।
গোবিন্দপাড়া ইউপি’র চেয়ারম্যান বিজন সরকার জানান, অনাকাঙ্খিত বন্যায় আমার ইউনিয়নের রমজানপাড়া, শালজোড়, বোয়ালিয়া, গোবিন্দপাড়া, বিলমালোলী, দেওপাড়া, হরিপুর, হাতরুম, শান্তিপাড়া, রুদ্রমূখা, রামপুর পাঁথার, বানইল, মাড়িয়া এবং বাকশৈইলসহ ১৫ গ্রাম ডুবে গেছে। অনেক কাঁচা বাড়ি পড়ে গেছে। ডুবে গেছে হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল। চেয়ারম্যান বিজন সরাকর আরো জানান, ইউনিয়নের প্রধান হাট দামনাশ বাজার বর্তমানে কোমর পর্যন্ত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এছাড়া হাট দামনাশ থেকে শিমলা বাজার হয়ে ফতেপুর হাট পর্যন্ত সড়কের পুরোটাই বন্যার পানিতে ডুবে গেছে এবং ওই সড়কের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৩০০ ফিট এলাকা ভেঙ্গে বিলীন হয়ে গেছে। এতে এলাকার লোকজনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সোনাডাঙ্গা ইউপি’র চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আজাহারুল হক জানান, হাট দামনাশ থেকে শিমলা বাজার হয়ে ফতেপুর হাট পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে যাওয়ায় সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নের জামালপুর, সোনাডাঙ্গা, বিলশনি, ভরট্র, জয়পুর, লিকড়া ও শেরকোল শিমলাসহ ৯টি গ্রাম বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। বন্যা কবলিত ওইসব গ্রামের অসংখ্য পরিবার এখন পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।

বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকিউল ইসলাম বলেন, দ্রুত গতিতে বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আরো কয়েকটি স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ হুমকির মুখে রয়েছে। যে কোনো মূহুর্তে সেগুলো ভেঙ্গে গিয়ে নতুনভাবে আরো বিভিন্ন এলাকা বন্যা কবলিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এতে বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী লোকজনের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তাদের নিরাপদ স্থানে গিয়ে আশ্রয় নেয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: খবর সারাদিন
Share:

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি এনামুল হক এমপি'র সমবেদনা

প্রিয় এলাকাবাসী
গত কয়েক দিনের অতি বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে সারা দেশের ন্যায় বাগমারাতেও এবার বড় ধরনের বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে উপজেলার সোনাডাঙ্গা, গোবিন্দপাড়া, নরদাশ, দ্বীপপুর, কাচারিকোয়ালীপাড়া ও বাসুপাড়াসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে । এমন অবস্থায় আমদের একত্রিত ভাবে এই বৈরি পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে । আমি বন্যার্ত মানুষের মাঝে দ্রুত ত্রাণ সামগ্রী পোঁছানোর উদ্যোগ গ্রহন করেছি । সারা দেশের ন্যায় বাগমারা উপজেলায় অনাকাঙ্খিত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি আমি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি ।

---------ইঞ্জিনিয়ার মোঃ এনামুল হক এমপি ।






সূত্র: এনামুল হক এমপি
Share:

ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক ব্যক্তিগতভাবে ত্রাণ বিতরণ করলেন......

বাগমরার বন্যাকবলীত সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নের চারটি গ্রামের ২ হাজার মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে বাগমারার এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক ব্যক্তিগতভাবে এই ত্রাণ বিতরণ করেন। বন্যা কবলীত এলাকা পরিদর্শন শেষে এলাকার মানুষের দুদর্শার কথা চিন্তা করে তিনি এ উদ্যোগে গ্রহণ করেন।





বিকেলে বাগমারার এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক বন্যাকবলী এলাকা পরিদর্শনে যান। তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও ঘরবাড়ি হারানো মানুষের দুর্দশা দেখে সরকারী ত্রাণের আশা না করে ব্যক্তিগত ভাবে তাদের সাহায্য করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি এসময় দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় বানভাসীদেরে চিড়া, গুড়, খাবার স্যালাইন, চাল, ডাল, তেল, পানি বিশুদ্ধ করণ ট্যাবলেটসহ বিভিন্ন প্রকার ওষুধ বিতরণ করেন। তিনি বা ভাসীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাগমারায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারী সাহায্য না পেলেও আমি নিজে তাদের সাহায্য করবো। বন্যা কবলীত এলাকার একজন মানুষও খাদ্য, চিকিৎসা, ওষুধের অভাবের মারা যাবে না।
তিনি আরো বলেন, বন্যা কবলীত কৃষক, ব্যবসায়ীসহ সকলস্তরের মানুষের তালিকা করে তাদের যথাসাধ্য ক্ষতি পুরণের চেষ্টা করা হবে।


সংগ্রহীত:  জিল্লুর রহমান
Share:

বাগমারায় ৯২ কোটি টাকার ধান পানিতে!


ঘরে পানি ঢোকায় থাকার জো নেই। মাচায় বসে এই দুরবস্থা দেখছেন বন্যাদুর্গত একটি পরিবারের সদস্যরা। ছবিটি শুক্রবার বিকেলে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার সোনাডাঙ্গা থেকে তোলা।
চলতি বন্যায় রাজশাহীর বাগমারায় ৯২ কোটি টাকার ধান পানিতে তলিয়ে গেছে বলে উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে। বন্যার পানি বাড়তে থাকায় এ ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাগমারা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলায় ১৭ হাজার ৫৯০ হেক্টর জমিতে রোপা আউশ ও ৮৪০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ হয়েছে। এর মধ্যে বন্যায় ছয় হাজার ৬৯১ হেক্টর জমির রোপা আউশ৩২১ হেক্টর জমির রোপা আমন ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এই পরিমাণ জমিতে মোট ৩৬ হাজার ৮১৩ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিবুর রহমান বলেন, এখন ধানের মণ এক হাজার টাকা করে। এই বাজার দর হিসাবে বন্যায় ৯২ কোটি ৩২ লাখ ৫০০ টাকার ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এর পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। পানি নেমে গেলেও এসব ধানখেত আর রক্ষা করা যাবে না।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বন্যায় উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ১১টি ইউনিয়ন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব এলাকার বাড়িঘর, ফসলি জমি, পানের বরজ, পুকুর ও বিল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত ১৯ হাজার ৪০০টি পরিবার এবং ৯৭ হাজার লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উপজেলার গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের দামনাশ গ্রামের কৃষক আজিবর রহমান, শুভডাঙ্গার বেলাল হোসেনসহ অন্তত ৩০-৩৫ জন বলেছেন, তাদের খেতের সব ধান পানিতে তলিয়ে গেছে।

শুভডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আবদুল করিম বলেন, তাঁর ওয়ার্ডের পাঁচ শতাধিক ধানচাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো
Share:
কপিরাইট © আলোকিত বাগমারা | প্রস্তুতকারক: TrialServices® সজ্জা: Nahid Hossen Golap